মঙ্গলবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৮:৩৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :

আগামী ১২ সেপ্টেম্বর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সরকার।

রিয়াদুর রহমানঃ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া সময়ের দাবি। যেখানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে হোটেল,রেস্তোরাঁ, শপিং মল, ও গণপরিবহন চালু রয়েছে, সেখানে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানও স্বাস্থ্যবিধি মেনে খুলে দেওয়া উচিত। গত বছরের ১৭ মার্চ থেকে প্রায় দেড় বছর করোনা ভাইরাস কোভিড-১৯ এর কারণে দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে।

এতে পড়াশোনায় ধস নেমে এসেছে। গুটিকয়েক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অনলাইনে ক্লাস নিলেও তা একেবারেই অপ্রতুল। পড়াশোনায় আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছে শিক্ষার্থীরা। কোনো কোনো শিক্ষার্থী পড়াশোনা ছেড়ে দিয়েছে। কাজে নেমে পড়েছে। একদিকে দারিদ্র্যের শিকার অন্যদিকে প্রতিষ্ঠান বন্ধের কারণে পড়াশোনা চালিয়ে যাবার উৎকন্ঠা বিরাজ করেছে। অনেকে নিম্নআয়ের শ্রমিকের কাজও করছে৷ কেউ কেউ নানা অসামাজিক কার্যকলাপেও জড়িয়ে পড়েছে।

এমনতা অবস্থায় যথাযথ স্বাস্থবিধি মেনে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দিলে শিক্ষার্থীরা তাদের পড়াশোনায় মন বসাতে পারবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আগের পরিবেশ খুঁজে পাবে৷ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী ডা.দীপু মনি বলেছেন, আমরা গত সভায় স্কুলের ছুটি বর্ধিত করেছি ১২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। আমরা এখন আশা করছি যে, আমরা ১২ সেপ্টেম্বর থেকে আমাদের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অর্থাৎ প্রাথমিক, মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিক খুলে দিতে পারবো।

বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ব্যাপারে আমরা আবার বসবো। কারণ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সিদ্ধান্ত বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট ও একাডেমিক কাউন্সিল নেয়। আমরা উপাচার্যদের সাথে কথা বলেছিলাম। তারা চেয়েছেন যে, শিক্ষার্থীরা অন্তত প্রথম ডোজ টিকা নিয়ে নিতে পারে তাহলে ভালো হয়। সেজন্য আমরা একটা খোলার তারিখ নির্ধারণ করেছি। সে অনুযায়ী অক্টোবরের মাঝামাঝি বিশ্ববিদ্যালয় খোলার কথা বলছে। এখন উনাদের সাথে আমরা আবার বসবো৷

উনারা যদি অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাথে খুলতে চান কিংবা ভিন্ন কোনো তারিখও নির্দিষ্ট করেন ওটা উনাদের বিষয়। আমরা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় দুই মন্ত্রণালয় নিয়ে জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির সাথে কথা বলে আমরা সব রকমের প্রস্তুতি নিয়েছি। ৫ সেপ্টেম্বর আমরা আন্তঃমন্ত্রণালয়ের সাথে সভা করবো। স্কুল খুলে দেবার পরে আমাদের দৈনিক একটা বাধ্যতামূলক প্রতিবেদন করতে হবে যাতে কঠােরভাবে মনিটরিং করতে পারি।

যাতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে পারে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এতে মাদ্রাসা ও কারিগরিও অন্তর্ভুক্ত থাকবে। শিক্ষামন্ত্রী আরো বলেন, অধিকাংশ শিক্ষক-কর্মচারীরার টিকা নেওয়া সম্পন্ন হয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ১৮ বয়সের বেশি যারা তাদেরকে টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা করেছেন। এখন বলেছেন ১২ বয়সের উপরে যারা তারাও টিকা নিতে পারবে। কারণ ১২ থেকে ১৮ মধ্যে সব টিকা দেওয়া যায় না। তাই ১২ উপরে সবার জন্য টিকা আসছে। সরকার আনার জন্য ব্যবস্থা করছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমাদের অনুসরণ করুন

প্রযুক্তি সহায়তায় ইন্টেল ওয়েব