মঙ্গলবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০২১, ০৫:২৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
হাইমচরে ২ টি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ১০ জন, সদস্য পদে ৬৫ ও সংরক্ষিত নারী আসনে ১৭ জনের সকল ক্ষেত্রে কার্যকর জবাবদিহিতা ও স্থানীয় সরকার ইএলজি প্রকল্পের গণশুনানী। হাইমচরে ইএলজি প্রকল্পের আওতায় শিক্ষার্থীদের সাথে উপজেলা পরিষদ ও প্রশাসনের সংলাপ। হাইমচরে নারী নির্যাতন বিরোধী সভা প্রতিবন্ধীদের জীবনমান উন্নয়নে সরকার অঙ্গীকারাবদ্ধ আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস আজ সেনাবাহিনী সর্বোচ্চ নিষ্ঠা-আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করছে দেশসেবায় সেনাবাহিনীর গৌরবময় ইতিহাস রয়েছে: রাষ্ট্রপতি বিশ্বের ১৮ দেশে পালিত হবে বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী দিবস ইউপি নির্বাচন: ২৩ ডিসেম্বরের ভোট হবে ২৬ ডিসেম্বর

চট্টগ্রাম থেকে রেনংয়ে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপনের আহ্বান

নিজস্ব প্রতিবেদক:  বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ডের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে চট্টগ্রাম বন্দরের সঙ্গে রেনং সমুদ্রবন্দরের সরাসরি যোগাযোগ স্থাপনের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) সভাপতি রিজওয়ান রাহমান।

মঙ্গলবার (২ নভেম্বর) বাংলাদেশে নিযুক্ত থাইল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত মাকাওয়াদি সুমিতমোর ডিসিসিআই সভাপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ আহ্বান জানান।

ডিসিসিআই সভাপতি রিজওয়ান রাহমান বলেন, ২০১৯-২০ অর্থবছরে বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ডের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ছিল প্রায় ৮৩৭.০৬ মিলিয়ন ডলারের, যেখানে আমদানি ও রপ্তানি যথাক্রমে ৮০১.৩ ও ৩৫.৪৬ মিলিয়ন ডলার। ২০২১ সালে থাইল্যান্ডে বাংলাদেশের রপ্তানি ৩৯ মিলিয়ন ডলারের উন্নীত হয়েছে, যা আমাদের রপ্তানি খাতের ইতিবাচক অবস্থান তুলে ধরে।

বাংলাদেশে বৈদেশিক বিনিয়োগের পরিমাণ বিবেচনায় থাইল্যান্ড ১৫তম অবস্থানে রয়েছে জানিয়ে ডিসিসিআই সভাপতি অবকাঠামো, অটোমোটিভ ও লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং, কৃষি ও খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, পর্যটন এবং স্বাস্থ্যসেবা খাতে থাই উদ্যোক্তাদের আরও বেশি বিনিয়োগের আহ্বান জানান।

পাশাপাশি থাইল্যান্ডের শ্রমঘন শিল্প বাংলাদেশে স্থানান্তরের আহ্বান জানিয়ে ডিসিসিআই সভাপতি বলেন, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ডের পিটিএ ও এফটিএ স্বাক্ষরের প্রতি আরও বেশি মনোযোগী হওয়া প্রয়োজন।

থাইল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত মাকাওয়াদি সুমিতমোর বলেন, বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ডের মধ্যকার বিদ্যমান বাণিজ্য ব্যবধান কমাতে দুপক্ষকেই উদ্যোগী হতে হবে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভারত-থাইল্যান্ড ও মিয়ানমারের ত্রিপক্ষীয় আঞ্চলিক সড়ক নির্মাণেকাজ শেষ হলে এ অঞ্চলে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ আরও সম্প্রসারিত হবে।

তিনি জানান, আগামী বছর বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ডের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে বাংলাদেশস্থ থাই দূতাবাস ‘রোড শো’ ও বাণিজ্য মেলার আয়োজনের উদ্যোগ নিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, থাইল্যান্ডে করোনা মহামারি সংক্রমণের হার এখন নিম্নমুখী। আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই থাই সরকার পর্যায়ক্রমে সেখানকার সব কার্যক্রম জনগণের জন্য উন্মুক্ত করে দেবে।

ডিসিসিআই সহ-সভাপতি মনোয়ার হোসেনসহ থাই দূতাবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমাদের অনুসরণ করুন

প্রযুক্তি সহায়তায় ইন্টেল ওয়েব