বুধবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:১৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ফরিদগঞ্জ সংবাদপত্র এজেন্ট স্বত্বাধিকারী তাজুল ইসলামের বড় ছেলে পাভেলের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী মহামারির চ্যালেঞ্জ কাটাতে সরকারের সহায়তা চেয়েছে বিজিএমইএ সাড়ে ১২ বছর ধরে বিএনপির তর্জন-গর্জন শুনে আসছি হাইমচরে পানের বরজ তছনছ ও হাফিজুর মিজির উপর সন্ত্রাসী হামলা- আহত ৩ চাঁদপুরের চান্দ্রায় চির্কা অগ্রগামী বহুমুখী সমবায় সমিতির এমডি দেলোয়ার আটক সাতক্ষীরা একই পরিবারের এ চার জনকে হত্যার দায়ে ফাঁসির রায় দিয়েছে আদালত আফগানিস্তানে খাদ্য-ওষুধ পাঠাতে প্রস্তুত বাংলাদেশ: মোমেন দুর্নীতি-মাদকের সঙ্গে জড়িত পুলিশ সদস্যদের ছাড় নয়: আইজিপি রাউজান পৌরসভার প্যানেল মেয়র বশির খান অসুস্থ জনপ্রিয়তায় এগিয়ে মেয়র আনিছ!

মহামারির চ্যালেঞ্জ কাটাতে সরকারের সহায়তা চেয়েছে বিজিএমইএ

নিজস্ব প্রতিবেদক:  পোশাকশিল্পে কোভিড-১৯ মহামারির প্রভাব কাটিয়ে ওঠা এবং শিল্পের ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য সরকারের সহযোগিতা চেয়েছে বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)। মঙ্গলবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিজিএমইএ’র ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এস এম মান্নানের (কচি) নেতৃত্বে বিজিএমইএ’র একটি প্রতিনিধিদল সচিবালয়ে অর্থ মন্ত্রনালয়ের সিনিয়র সচিব আব্দুর রউফ তালুকদারের সঙ্গে এক বৈঠকে এ অনুরোধ জানান।

সভায় বিজিএমইএ’র সাবেক সভাপতি শফিউল ইসলাম (মহিউদ্দিন), বর্তমান কমিটির সহ-সভাপতি শহিদউল্লাহ আজিম, সহ-সভাপতি (অর্থ) খন্দকার রফিকুল ইসলাম ও পরিচালক এম. এহসানুল হক উপস্থিত ছিলেন।

বিজিএমইএ নেতারা বলেন, দেশে কোভিড-১৯ মহামারির দ্বিতীয় ঢেউ এর কারনে পোশাকশিল্পের কঠিন সময় দীর্ঘায়িত হয়েছে এবং শিল্প এখনো কঠিন সময়ের মধ্যদিয়ে যাচ্ছে। তাছাড়া ইউরোপসহ বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি বাজারগুলো এখনো পুরোপুরি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসেনি। আশা করা হয়েছিল যে, মহামারি পরিস্থিতির উন্নয়নের সাথে সাথে পোশাকশিল্প ঘুরে দাঁড়াতে সমর্থ হবে। কিন্তু নতুন ভ্যারিয়েন্টের বিস্তার ও সংক্রমণ শিল্পকে আবার নতুন করে চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন করেছে।

এই সঙ্কটময় সময়ে তৈরি পোশাকশিল্পকে টিকিয়ে রাখার নিমিত্তে শ্রমিক কর্মচারীদের বেতন-ভাতা প্রদানের জন্য প্রদত্ত ঋণ পরিশোধের কিস্তির সংখ্যা ১৮টির পরিবর্তে ৩৬টি করার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করার জন্য বিজিএমইএ নেতারা অর্থসচিবকে অনুরোধ জানান। তারা সরকারকে রুগ্ন বা বন্ধ ১৩৩টি তৈরি পোশাককারখানাকে বিশেষ বিবেচনায় নিয়ে এসব প্রতিষ্ঠানসমূহের মূল ঋণ ও আয় খাতে নিট সুদ অবসায়নের জন্য সরকারের সুদৃষ্টি কামনা করেন।

বিজিএমইএ নেতারা যেসব উদ্যোক্তারা নিরাপদে ব্যবসা বন্ধ করতে চান, তাদের জন্য ‘চ্যাপ্টার ১১’ এর অনুরূপ ব্যবসা থেকে প্রস্থান নীতি প্রনয়নের জন্য সরকারকে অনুরোধ করেছেন। তারা বলেন যে, আমাদের অধিকাংশ প্রতিযোগী দেশগুলোতে ‘চ্যাপ্টার ১১’ এর অনুরূপ ব্যবসা থেকে সম্মানজনক প্রস্থান নীতি বিদ্যমান রয়েছে।

তারা আরও বলেন, কোনো গ্রুপ অব কোম্পাীনর একটি প্রতিষ্ঠান ঋণ খেলাপি হলে অন্যান্য প্রাইভেট লি. প্রতিষ্ঠানের ঋণ প্রবাহ বন্ধ হয়ে যায়। ফলে, ব্যবসা পরিচালনা দুঃসাধ্য হয়ে দাঁড়ায়, এমনকি কোনো কোনো ক্ষেত্রে ব্যবসা বন্ধ হয়ে যায়। ব্যাংক ঋণ সুবিধার অভাবে নিয়মিত ভালো প্রতিষ্ঠানসমূহও পর্যায়ক্রমে ঋণ খেলাপি হতে বাধ্য হয় এবং তাদের ব্যাংক ঋণ পরিশোধ করার কোনো সুযোগ থাকে না।

বিজিএমইএ প্রতিনিধিদল সরকারকে কোনো ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা গ্রুপের যে কোনো একটি প্রতিষ্ঠানের ঋণ খেলাপির কারণে সহযোগী অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের চলমান ঋণ ও ব্যাংক সুবিধাদি বন্ধ না করে, খেলাপি ঋণ পুনঃতফসিলিকরণের সুযোগ দিয়ে ঋণ সুবিধা বহাল রাখার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের অনুরোধ জানান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমাদের অনুসরণ করুন

প্রযুক্তি সহায়তায় ইন্টেল ওয়েব