1. admin@srejonbangla52tv.com : admin :
সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২০, ০৯:৫৪ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
***পরীক্ষামূলক সম্প্রচার***
প্রধান খবর
ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ(কোয়াব)সুনামগঞ্জ শাখার পরিচিত সভা অনুষ্টিত! দিরাইয়ের বিবিয়ানা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষের অপসারনের দাবীতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন অনুষ্ঠিত! সময়ের স্রোতে হারিয়ে যাচ্ছে গ্রামীণ খেলাধুলা। সুনামগঞ্জ জেলা যুবলীগের উদ্যোগে শোকের মাসে এতিম শিশুদের মধ্যে খাদ্য বিতরণ ! ইবি তরুণ কলাম লেখক ফোরামের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা! মানবতার সেবায়, এওজবালিয়া সমাজকল্যাণ সংস্থা’! এখন থেকে ১২ কেজি গ্যাসের নির্ধারিত খুচরা মূল্য ৬০০ টাকা। দাম বেশি দেখলে ৯৯৯ এ কল করুন মাগুরায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে অটো চালকের মৃত্যু। সুনামগঞ্জে বিদেশে চাকরির লোভ দেখিয়ে অর্ধ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে প্রতারক ছাদিক ! মাদারীপুরে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী কে এম এনামুল হক শামীম !

একজন সংগ্রামী মানুষের জীবন কাহিনী!

  • শনিবার, ৪ জুলাই, ২০২০
  • ২২ বার পড়া হয়েছে

আমার শিক্ষা ও কর্মজীবনের কিছু কাহিনীঃ

লেখক -প্রিন্সিপাল আশরাফুল করিম (এডভোকেট ) : আমি মাস্টার্স শেষ করে তখন কত কিছু হতে বা করতে চেষ্টা করলাম দেশে, কিন্তু সফল হলাম না। আমি মার্কেটিং বিভাগের প্রথম ব্যাচে এম. ফিল স্টুডেন্ট কিন্তু শেষ করতে পারিনি। এম. ফিল করার পর পিএইচডি করতে পারলে হয়তো ইউনিভার্সিটির টিচার হতে পারতাম। সি এ কোর্স কমপ্লিট কিন্তু পাস করা হয় নাই।

দেশ ও বিদেশে চার্টার্ড একাউন্টেন্ট দের অনেক জব ও ইনকাম আছে। বি সি এস পরীক্ষায় ২বার ভাইবা বোর্ড এ গিয়ে কোটার কারনে সরকারি চাকুরি পাইনি। অবশ্য আমি সরকারি বা বেসরকারি চাকুরির তেমন চেষ্টা ও চিন্তা করি নাই।

অনার্স আর মাস্টার্স এ সেকেন্ড ক্লাস আমার জীবনটা এলোমেলো করলো। তারপর দেশে দশ বছরে দশ টাকা ও জমা ছিলোনা আমার ৩৩ বছর বয়সে বিয়ের দিন পর্যন্ত। অথচ নাম সুনাম ও পরিচিতি ছিলো অনেক।
এল এল বি তে তখন সেকেন্ড ক্লাস কম পাওয়া যেত কিন্তু আমি না পড়েও পেলাম, আল্লাহ মনে হয় আমার জিবনে থার্ড ক্লাস রাখেন নাই। ছাত্র জীবনে আজীবন বৃত্তিধারী ছিলাম এম ফিল কোর্স পর্যন্ত। কুমিল্লা বোর্ডের মেধা তালিকায় SSC তে নোয়াখালী জিলা স্কুল থেকে ১১তম আর HSC তে চট্টগ্রাম সরকারি কমার্স কলেজ থেকে ২য় স্থান লাভ করেছিলাম। অথচ অনার্স এবং মাস্টার্স এ সেকেন্ড ক্লাস পেলাম। তবে দেশ বিদেশে অনেক ট্রেনিং এর সার্টিফিকেট আছে আমার।
আমি মাসিক নোয়াখালী দর্পন নামে ম্যাগাজিন ও সাপ্তাহিক নোয়াখালী বার্তা নামে ২টি পত্রিকা বের করতাম সম্পাদক ও প্রকাশক হিসেবে। বাংলা বাজার এর এন এক্সপার্ট হেডমাস্টার বা প্রফেসর হিসেবে অনেক নোট বই ও এসএসসি, এইচএসসি পরীক্ষার সাজেশন বই লিখছিলাম।

পরে বার কাউন্সিলের পরীক্ষা দিয়ে এডভোকেট হলাম। সাংবাদিক ও এডভোকেট হবার সাথে সাথে প্রিন্সিপাল হবার সখ ও সুযোগ পাই এবং চেস্টাও করছিলাম আমি।
১৯৯১ সালে ঢাকা নাইট কলেজ আর ১৯৯২ সালে মিরপুরে মডার্ণ কলেজ করার উদ্যোগ নিয়েছিলাম একজন অবসরপ্রাপ্ত প্রিন্সিপাল কে নিয়ে। আমি উনার সহযোগী ছিলাম কিন্তু উনি ও কিছু লোক আর শিক্ষকদের কারনে সেটাও সম্ভব হয়নি। তারপর কিছু অবসরপ্রাপ্ত আর্মি অফিসার এর সাথে কল্যাণপুরে প্রাইভেট ইসলামিক ক্যাডেট কলেজ করতে গেলাম, কিন্তু আমার বয়স কম বা অভিজ্ঞতা নাই বলে ওরা আমাকে গুরুত্বপূর্ণ পদ দেয় নাই বলে তা ছেড়ে আসি।

তখন নতুন একটা কলেজ করার জন্য নোয়াখালী চর জব্বর এলাকার লোকজন আমাকে প্রিন্সিপাল করবে বলে প্রস্তাব দেয়, আর আমি রাজি হই। যদিও আমার কোন কলেজ এ প্রফেসর হিসেবে চাকুরি করার অভিজ্ঞতা ছিলো না তখন।
১৯৯৩ সালে চর জব্বর এ কলেজ হলো কিন্তু প্রিন্সিপাল হলাম না। পরে পাশের এলাকায় চরবাটা সৈকত কলেজ এর শুরুতে আমি প্রিন্সিপাল এর দায়িত্ব নিলাম। সেখানে বছর খানেক বিনা বেতনে থাকার পর মাইজদী টাউনে চলে আসি। উকালতি করার চিন্তা করি। ১৯৯৪ সালে এডুকেশন মিনিস্ট্রি থেকে নোয়াখালী সরকারি ইউনিভার্সিটি কলেজ এ একটা সার্কুলার আসে যে- ইউনিভার্সিটি কলেজগুলোতে ইন্টারমিডিয়েট সেকশন বন্ধ করা হবে। তাই নোয়াখালী শহরে একটা প্রাইভেট কলেজের প্রয়োজন দেখা দেয়। আর আমি সে উদ্যোগ নিয়ে কাজ শুরু করি।
মাইজদী পাবলিক কলেজ নামে একটা কলেজ প্রতিষ্ঠা করি।

ব্যাক্তিগত শ্রম ও মেধা দিয়ে। আমি অনারারী প্রিন্সিপাল ছিলাম, উকালতি’র সনদ রক্ষার জন্য। কলেজ এর জন্য সরকারি জমিতে ঘর নির্মাণ, সরকারি অনুমোদনের পর এমপিও ভুক্তির সময় রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র ও চক্রান্তের ফলে আমাকে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে সাসপেন্ড করার পর আমি হতবাক হই।

ডিসি সাহেবের বিরুদ্ধে আদলতে মামলা করি। আমার বিরুদ্ধে আমার হাতে পায়ে ধরে নিয়োগ পাওয়া শিক্ষক কর্মচারীরা বেইমানী ও মীরজাফরি করে। আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও কাল্পনিক অভিযোগ করায় আমি কলেজ এর ব্যাপারে আশা ছেড়ে দিয়ে উকালতির চিন্তা ও চেষ্টা করি। কিন্তু মন সায় দিলো না আর দেশে থাকতে।
তারপর রাগে, দুঃখে আর অভিমানে আফ্রিকার বোতসোয়ানা প্রবাসী হলাম।

একজন কে বিয়ে করে দেশ ত্যাগ করে প্রবাসী হই ১৯৯৮ সালে। প্রবাসে আমি এখন আল্লাহর রহমতে সু-প্রতিষ্ঠিত। আমার নিজস্ব বাড়ী, গাড়ী ও কিছু টাকা আছে। ইউনিভার্সিটি অব বোতসোয়ানা তে এম.এড কোর্স কমপ্লিট করি, কিন্তু শেষ পর্যন্ত ডিগ্রি নেয়া হলো না Research Essay Proposal লিখে জমা না দেয়ার কারনে। আফ্রিকায় একজন সফল ব্যাক্তি বলে দাবি করতে পারি।


আমি এডভোকেট/ট্যাক্স এডভাইজর হিসেবে ঢাকা বার এসোসিয়েশন এবং ঢাকা ট্যাক্সেস বার এসোসিয়েশন এর আজীবন সদস্য। নোয়াখালী বার এসোসিয়েশন এবং নোয়াখালী ট্যাক্সেস বার এসোসিয়েশন এর মেম্বার ও আমি। আমাদের এল এল বি বা ফরেইন লইয়ার দের এখানে পার্মিশন নাই বা দরকার ও নাই।

আমি তো Marketing & Business consultancy নামে এখানে কতো কিছু করেছি বা করতে পারি কিন্তু এখন আর করতে ইচ্ছা করে না কিছু। প্রবাসে কিছু টাকা পয়সার মুখ দেখি আর এখন দেশে কিছু করতে সাহস পাইনা ষড়যন্ত্র ও চক্রান্তের ভয়ে।
আগে সাধ ছিলো কিন্তু সাধ্য ছিলোনা কিছু করতে, আর এখন সাধ্য আছে কিন্তু সাধ নাই।

হায়রে আমার বাংলাদেশী জাতি! আমাকে তো চিনলোনা…
——
Principal Ashraful Karim Advocate
Founder: Maijdee Public College,
Ex Principal: Saikat Degree College, Char Bata
Founder Editor:Weekly Noakhali Barta & monthly Noakhali Darpon magazine (not publishing now), Founder Editor: Bangladesh Post, South Africa. Chairperson: Bangladesh Post Forum South Africa (Registered N.P.O)

Bangladeshi Advocate,Tax & Vat Adviser, Business,Company,
Labour & Immigration Law Expert, Management, Business & Marketing Consultant by profession in abroad .(N R B)

ভালো লাগলে এই পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই কেটাগরির আরো খবর
© All rights reserved 2020 srejonbangla52tv

প্রযুক্তি ও কারিগরি সহায়তাঃ WhatHappen