1. admin@srejonbangla52tv.com : admin :
মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২০, ০১:১৩ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
***পরীক্ষামূলক সম্প্রচার***
প্রধান খবর
ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ(কোয়াব)সুনামগঞ্জ শাখার পরিচিত সভা অনুষ্টিত! দিরাইয়ের বিবিয়ানা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষের অপসারনের দাবীতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন অনুষ্ঠিত! সময়ের স্রোতে হারিয়ে যাচ্ছে গ্রামীণ খেলাধুলা। সুনামগঞ্জ জেলা যুবলীগের উদ্যোগে শোকের মাসে এতিম শিশুদের মধ্যে খাদ্য বিতরণ ! ইবি তরুণ কলাম লেখক ফোরামের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা! মানবতার সেবায়, এওজবালিয়া সমাজকল্যাণ সংস্থা’! এখন থেকে ১২ কেজি গ্যাসের নির্ধারিত খুচরা মূল্য ৬০০ টাকা। দাম বেশি দেখলে ৯৯৯ এ কল করুন মাগুরায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে অটো চালকের মৃত্যু। সুনামগঞ্জে বিদেশে চাকরির লোভ দেখিয়ে অর্ধ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে প্রতারক ছাদিক ! মাদারীপুরে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী কে এম এনামুল হক শামীম !

জেনে নিই, প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস এবং এর প্রতিরোধের উপায় ?

  • রবিবার, ৫ জুলাই, ২০২০
  • ১২ বার পড়া হয়েছে

জান্নাতুল ফেরদাউস (নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় সংবাদদাতা): যুগে যুগে পৃথিবীতে অনেক ধরনের মহামারী আক্রমণ করেছে।তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি মহামারী হলো:
★Black Death or The Plague (14th century)
★AIDS(1981-present)
★H1N1 Swine Flu(2009-2010)
★West African Ebola(2014-2016)
★Zika Virus(2015-present)

এইসব মহামারীর মত ২০১৯ সালে ও দেখা দেয় করোনা মহামারী।যার অপর নাম COVID-19.

*করোনা ভাইরাস হলো একটি একসূত্রক আরএনএ ভাইরাস।যা যেকোনো পরিবেশে নিজেকে খাপ খাইয়ে নিতে পারে।এর ২টা প্রকার সিনড্রোম হলো MERS-cov(Middle East Respiratory Syndrome) এবং SARS-cov(Severe Acute Respiratory Syndrome).এর একটি নতুন স্ট্রেইন হলো SARS-cov-2 যা COVID-19 নামে পরিচিত।
কিছু করোনাভাইরাস জুনোটিক, যার অর্থ তারা প্রাণী এবং মানুষের মধ্যে সঞ্চারিত হয়। বিস্তারিত তদন্তে দেখা গেছে যে SARS-cov বিড়াল থেকে মানুষের মধ্যে এবং MERS-cov ড্রোমডারি উট থেকে মানুষের মধ্যে সঞ্চারিত হয়েছিল।

*২০১৯ সালের ডিসেম্বর মাসে চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহরে করোনার একটি নতুন স্ট্রেইন দেখা দেয়।যার সংক্রমণে শ্বাসকষ্টজনিত রোগীর একটা গোষ্ঠী সৃষ্টি হয়েছিল।অতঃপর এর নাম দেয়া হয় COVID-19.এই সংক্রমণটি খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে বিশ্বের অন্যান্য দেশে।এ পর্যন্ত প্রায় বিশ্বের ২০০ টির ও বেশি দেশে করোনা মহামারীর প্রাদুর্ভাব চলছে।১১ মার্চ ২০২০ সালে WHO(World Health Organization) করোনাকে প্যানডেমিক হিসেবে ঘোষণা করে।

*বিশ্বে এ পর্যন্ত করোনায় মৃতের সংখ্যা ৫ লাখ ৩৩ হাজার,আক্রান্তের সংখ্যা কোটি ১৩ লাখ ৮৬ হাজার এবং সুস্থ ব্যক্তির সংখ্যা ৬৪ লাখ ৪৫ হাজার।
বাংলাদেশে এ পর্যন্ত করোনায় মৃতের সংখ্যা ১,৯৯৭ জন,আক্রান্তের সংখ্যা ১,৫৯,৫৭৯ জন এবং সুস্থ ব্যক্তির সংখ্যা ৭০,৭২১ জন।

*বাংলাদেশ প্রথম করোনার সংক্রমণ ঘটে ২০২০ সালের মার্চ মাসের তারিখে।প্রথমদিন আক্রান্ত হয় তিনজন ব্যক্তি যার সংখ্যা দিনদিন বেড়ে চলছে।
*করোনা ভাইরাস মূলত হাঁচি-কাশির মাধ্যমে ছড়ায়।সংক্রমিত রোগীর সংস্পর্শে আসলে এ রোগ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।তাই WHO এর পরামর্শ হলো সামাজিক দুরত্ব মেনে চলা অর্থাৎ ফুট দুরত্ব বজায় রাখা এবং রোগীর সেবায় নিয়োজিত ব্যক্তিদের PPE(Personal Protective Equipment) পরিধান করে চলা।
PPE পরিধান করবে ডাক্তার,নার্স এবং অন্যান্য সেবাদানকারী।
PPE এর অন্তর্ভুক্ত জিনিস হলো:
1.Gloves
2.Medical Mask
3.Respirators(N95 or FFP2 standard or equivalent)
4.Eye Protection
5.Gowns
6.Aprons
7.Boots or closed-toe work shoes


করোনা সংক্রমণ কমানোর জন্য মানুষকে অতিব প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে না যেতে বলা হয়েছে।আর যেতে হলে মাস্ক পড়ে,গ্লাভস পড়ে অথবা হ্যান্ড স্যানিটাইজ করে বের হতে হবে।

* করোনাভাইরাসের আয়ু

এটা এখনও পরিষ্কার নয় যে কোভিড-১৯ এর জীবাণু মানবদেহের বাইরে কতক্ষণ বেঁচে থাকতে পারে।

কিছু গবেষণায় দেখা গেছে আরো যেসব করোনাভাইরাস আছে, যেমন সার্স ও মার্স, সেগুলো লোহা, কাঁচ এবং প্লাস্টিকের গায়ে (নয়) দিন পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পারে।

আবার কোনো কোনো ভাইরাস ঠাণ্ডা জায়গায় ২৮ দিনও বেঁচে থাকতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রে ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অফ হেলথের একজন ভাইরোলজিস্ট নিলৎজে ফান ডোরমালেন তার সহকর্মীদের নিয়ে গবেষণা চালিয়ে দেখেছেন কোভ-২ বা সার্স ভাইরাস কতক্ষণ বেঁচে থাকতে পারে।

তাতে দেখা গেছে, কাশি দেওয়ার পর থেকে ড্রপলেটের মধ্যে এই ভাইরাসটি তিন ঘণ্টা পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পারে।

ক্ষুদ্র ড্রপলেটে, যার আকার ১ থেকে ৫ মাইক্রোমিটার (মানুষের চুলের ৩০ গুন চিকন) সার্স ভাইরাস কয়েক ঘণ্টা পর্যন্ত বেঁচে থাকে।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি-কাশির সময় তার নাক ও মুখ দিয়ে যে জলীয় কণা বা ড্রপলেট বাতাসে বের হয়ে আসে তার মাধ্যমে কোভিড-১৯ এর জীবাণু ছড়িয়ে পড়তে পারে।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, মাত্র এক বারের কাশি থেকেই বের হতে পারে এরকম ৩,০০০ ড্রপলেট।

ড্রপলেটের এই কণা গিয়ে পড়তে পারে আরেকজনের গায়ে, কাপড়ে এবং আশেপাশের জিনিসের উপর। তবে কিছু ক্ষুদ্র কণা থেকে যেতে পারে বাতাসেও।

দেখা গেছে এই ভাইরাস মল-মূত্রের মধ্যে আরো বেশি সময় বেঁচে থাকতে পারে। টয়লেট থেকে ফিরে ভাল করে হাত না ধুলে তার হাতের স্পর্শের সাহায্যে আরো অনেক কিছুতেই এই ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়তে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রে সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল এন্ড প্রিভেনশন বলছে, ভাইরাসটি লেগে আছে এরকম কোন বস্তু স্পর্শ করার পর হাত দিয়ে যদি মুখ স্পর্শ করা হয় তাহলে ভাইরাসটি ছড়াতে পারে। তবে এটিই এই ভাইরাসে সংক্রমিত হওয়ার প্রধান উপায় নয়।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাসহ স্বাস্থ্য সংক্রান্ত অন্যান্য কর্তৃপক্ষও বলছে যে, বার বার হাত ধুয়ে এবং একই সাথে যেসব জিনিস ধরা হচ্ছে সেগুলো বার বার জীবাণুমুক্ত করে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধ করা সম্ভব।


কোনও মানুষ এই ভাইরাসে সংক্রামিত হয়ে থাকলে, উপসর্গগুলি প্রকাশ পেতে গড়ে 5-6 দিন সময় নেয়, তবে এটি 14 দিন পর্যন্ত সময় নিতে পারে।

*করোনা আক্রান্ত হওয়ার পর লক্ষণসমূহ:
COVID-19 ভাইরাস বিভিন্ন লোকের উপর বিভিন্নভাবে প্রভাব ফেলে থাকে। আক্রান্ত হওয়া বেশিরভাগ মানুষই হালকা থেকে মাঝারি মানের অসুস্থতা অনুভব করবেন এবং হাসপাতালে ভর্তি না হয়েও সুস্থ হয়ে উঠবেন।

সবচেয়ে সাধারণ উপসর্গসমূহ:
★জ্বর
★শুকনো কাশি
★ক্লান্তিভাব

কম সাধারণ উপসর্গসমূহ:
★ব্যথা ও যন্ত্রণা
★গলা ব্যথা
★ডায়রিয়া
★কনজাংটিভাইটিস
★মাথা ব্যথা
★স্বাদ বা গন্ধ না পাওয়া
★ত্বকে ফুসকুড়ি ওঠা বা আঙুল বা পায়ের পাতা ফ্যাকাসে হয়ে যাওয়া


গুরুতর উপসর্গসমূহ:
★শ্বাস নিতে অসুবিধা বা প্রবল শ্বাসকষ্ট হওয়া
★বুক ব্যথা বা বুকে চাপ অনুভব করা
★কথা বলার বা হাঁটাচলার শক্তি হারানো

*করোনা আক্রান্ত হলে করণীয়:
করোনা মূলত মানুষের ফুসফুসে আক্রমণ করে যার ফলে শ্বাসকষ্ট হয় এবং এর আগে এটি গলায় অবস্থান করে।তাই মূলত গরম পানি পান,বাষ্প গ্রহণ,সুষম খাবার গ্রহণ করতে বলা হয়েছে।যেহেতু এর ভ্যাকসিন এখনো আবিষ্কার হয়নি তাই এখন স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাই একমাত্র পন্থা।


*করোনা ভ্যাকসিন:
এখন পর্যন্ত কোনো দেশ করোনার ভ্যাকসিন তৈরি করতে পারেনি।তবে ১০০ টির ও বেশি প্রতিষ্ঠানে ভ্যাকসিন তৈরির পরীক্ষা চলছে যার মধ্যে ১৫ টি মানবদেহে পরীক্ষামূলক প্রয়োগ চলছে।এর মধ্যে এগিয়ে আছে যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়,ইমপিরিয়াল কলেজ লন্ডন,যুক্তরাষ্ট্রের মডার্না,চীনের সিনোভ্যাক।

এর মধ্যে বাংলাদেশের গ্রোব বায়োটেক প্রতিষ্ঠান গত জুন ২০২০ বৃহস্পতিবার দুপুর টায় সংবাদ সম্মেলনে জানায়, তারা করোনা ভ্যাকসিন তৈরির আশা রাখেন ইতোমধ্যে যা খরগোশে প্রয়োগ করে দেখা হয়েছে এবং সন্তোষজনক ফল পাওয়া গিয়েছে।গ্লোব বায়োটেক লিমিটেড এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এনসিবিআই ভাইরাস ডাটাবেজ অনুযায়ী ৩০ জুন পর্যন্ত বিশ্বব্যাপী হাজার ৭৪৩টি সম্পূর্ণ জিনোম সিকোয়েন্স জমা পড়েছে। যার মধ্যে বাংলাদেশ থেকে জমা পড়েছে ৭৬টি। বাংলাদেশের এই সংস্থা দাবি করেছে, তাদের জমা দেওয়া জিনোম সিকোয়েন্স এনসিবিআই স্বীকৃতি দিয়েছে। তারা দাবি করেছে, এই ভ্যাকসিন পশুর শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরিতে সক্ষম হয়েছে।বাকি রয়েছে এনিমেল ট্রায়াল যাকে আসল ধাপ মনে করা হচ্ছে।
ইতোমধ্যে ভ্যাকসিন তৈরিতে ১১ তম স্থান অর্জন করলো বাংলাদেশ।

*করোনা ভাইরাসের কিছু তথ্য:
1.Corona viruses are eneveloped positive sense.
2.Single-Standard RNA virus
*করোনা ভাইরাসের শ্রেণিবিন্যাস:
Sub-Family: Coronavirinae
Family:Coronavirdiae
Order:Nidovirales
এর জেনেরা হচ্ছে চারটি।যথা:
1.Alphacoronavirus
2.Bitacoronavirus
3.Deltacoronavirus
4.Gammacoronavirus
ঘরে থাকি,সুস্থ থাকি
নিজে নিরাপদে থাকি,
নিরাপদে রাখি নিজের
আপনজনকে

ভালো লাগলে এই পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই কেটাগরির আরো খবর
© All rights reserved 2020 srejonbangla52tv

প্রযুক্তি ও কারিগরি সহায়তাঃ WhatHappen