বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২০, ১২:৫২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শান্তি,শৃঙ্খলা ,সম্পীতিও দূর্নীতি মুক্ত মাগুরা পৌরসভা গড়তে চাই। ধর্ম নিয়ে কটূক্তি,দুই শিক্ষার্থীকে বহিষ্কারের দাবিতে বিক্ষোভ। জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪২তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত! দক্ষিণ সুনামগঞ্জে আপন দূলাভাই কর্তৃক ১১ বছরের শ্যালিকা ধর্ষিতা সে সাত মাসের অন্তঃসত্তা! সুধারামে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক সন্তানের জননীকে ধর্ষণ, থানায় মামলা দায়ের! সুনামগন্জের দোয়ারাবাজারে এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের চেষ্টা! মহানবী (সা.) কে অবমাননা: কুয়েতের পর এবার ফ্রান্সের পণ্য বয়কটের ডাক দিয়েছে কাতার ! সমাজ কল্যাণ মূলক কার্যক্রম উপলক্ষ্যে মাদারীপুরে “শান্তির পথে সমিতির” মত বিনিময় সভা! একজন শিক্ষা গুরুরত্নের মৃত্যু খলিফারহাট অঞ্চলে শোকের চায়া! নোয়াখালীর প্রবীণ সাংবাদিক আহসান উল্যাহ মাষ্টারের ইন্তেকাল

নোয়াখালী ২৫০ শয্যা জেনারেল হসপিটালের ১২ কোটি টাকার টেন্ডার ভাগাভাগি!

রাসেদ বিল্লাহ চিশতী (নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি): নোয়াখালী ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের ১২ কোটি টাকার টেন্ডার ভাগাভাগি করে নিয়ে নেওয়া হয়েছে। মিঠু সিন্ডিকেটের হাতে টেন্ডার ভাগাভাগি নিয়ে উত্তেজনা চলছে নোয়াখালী সর্বত্র জানাযায়, নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে চলতি অর্থ বছরের ১২ কোটি টাকার এমএসআর দরপত্রে টেন্ডারে অনিয়ম ও জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। নোয়াখালী ২৫০ শয্যা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ গত অর্থবছরের মতো চলতি অর্থবছরেও ৬টি গ্রুপের অর্থাৎ ক-গ্রুপ-ওষুধপত্র সামগ্রী, খ- গ্রুপ- সার্জিক্যাল যন্ত্রপাতি ও মেরামত, গ-গ্রুপ- লিলেন সামগ্রী, ঘ-গ্রুপ- গজ, ব্যান্ডেজ, কটন সামগ্রী, ঙ- গ্রুপ- কেমিক্যাল রি-এজেন্ট সামগ্রী ও চ- গ্রুপ- আসবাবপত্র ও কিচেন সামগ্রী ক্রয়ের দরপত্র আহ্বান করে।

এতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় প্রতিবছর এই খাতে কোটি কোটি টাকার বাজেট প্রদান করে। অনুসন্ধানে আরো জানা যায়, গত অর্থবছরে এই দরপত্রের আহ্বান করেছিলেন সাবেক তত্ত্বাবধায়ক ডা. খলিলুর রহমান। চলতি অর্থবছরে দরপত্রের আহ্বান করেন ভারপ্রাপ্ত তত্ত্বাবধায়ক ডা. মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী। গত অর্থবছরে এই ৬টি গ্রুপে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দ ছিল প্রায় ১১ কোটি টাকা।

গত অর্থবছরে উক্ত দরপত্রের ৬টি গ্রুপে সারা দেশ থেকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অনুমোদিত প্রথম শ্রেণির ৮ জন ঠিকাদার ব্যবসায়ী শিডিউল ক্রয় করেছিলেন। কিন্তু চলতি অর্থবছরে ঐ ৮ ঠিকাদারের কেউই কোনো শিডিউল ক্রয় করতে পারেননি। দরপত্রের শিডিউল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ গত ২৭/০৮/২০২০ইং তারিখে স্বাক্ষরিত নোটিশে হাসপাতালের অফিস, জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ও সিভিল সার্জন অফিসে পাওয়া যাবে বলে উল্লেখ করেছেন।

বাস্তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের নোটিশ মোতাবেক গত ২২/০৯/২০২০ইং তারিখে সকাল ৮টা থেকে ২.৩০ ঘটিকা পর্যন্ত ঠিকাদারগণ উক্ত স্থানগুলোতে গিয়ে কোনো শিডিউল খুঁজে পাননি। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ঢাকার কথিত ছোট মিঠু সিন্ডিকেটের সঙ্গে যোগসাজশ করে সমস্ত শিডিউল ঐ চক্রের নিকট গোপনে বিক্রি করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমাদের অনুসরণ করুন

প্রযুক্তি সহায়তায় ইন্টেল ওয়েব